- সেই একই গেঞ্জি! বলছি, এবার এটা ফেলে দাও। চারিদিকে ছিঁড়ে-ছিঁড়ে এটার কিছু আছে! শরীরের ঘামের সঙ্গে লেপটে গিয়ে ন্যাতা হয়ে গেছে।
- হ্যাঁ, এই ভাবছিলাম এবার একটা কিনবো। আসলে সময় পাচ্ছি না।
- ফের মিথ্যা কথা। বাজারের মধ্যে থেকে ব্যাবসা করছো আর ওই আশেপাশের দোকান থেকে একটা গেঞ্জি কিনে আনতে পারছো না। ঠিক আছে তোমায় যেতে হবে না। সাইজ বলো?
- সাইজ!
- হ্যাঁ, সাইজ। আমি কিনে আনছি। কোনো কথা বলবে না।
তারপর কিছুটা দূরে একটি হোসিয়ারি দোকানে গিয়ে, বলে দেওয়া সাইজের একটি গেঞ্জি কিনে তাকে দিলাম।
- নাও! ওটা খোলো, এটি পরো।
- এখন। না-হয় স্নান করে পরবো খন।
- এমনি এই প্রখর রোদে তেতে পুড়ে ঘেমে-নেয়ে স্নান করেই আছো। গায়েরটি দিয়ে ভালো করে মুছে এটা পরে নাও।
তিনি তাই করলেন। তার স্মিত হাসির মুখ দেখে মনে প্রশ্ন জাগলো যে কীভাবে রক্ত-মাংসের শরীর নিয়ে এই প্রখর রোদে নির্বিকার ভাবে প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকে সংসারে ছাতা হয়ে ...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন