পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭

কবিতা






ব্যারিকেড

প্রদ‍্যোত আশ

আকাশ জুড়ে ঘন শ্রাবণ মেঘ

নকসাকাটে সেগুন মঞ্জরী

উতল হাওয়া দোলায় নাবিক মন

খেয়াতরীর পালটা তুলে দিই


এখন সন্ধ্যা মোহরকুঞ্জ জুড়ে

রবীন্দ্র নাথ ফোয়ারায় মিশে যায়

কলরব চলে লিটিল ম্যাগের মেলা

ঘাস হয়ে ওঠা প্রেমিকার কোলে শুই

ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে গড়ের মাঠের পাশে

প্রতিহত হয় হায়নার চিৎকার

তুই আর আমি কেবল ভালোবাসা

জল কামানে তরঙ্গ বাজবেই

( বোহিনিয়া ২০১৬)

রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

দেয়ালা উৎসব সংখ্যায় থাকছে



অসহায়


      মইনুল হক 


মদেসিয় জন পিতৃপক্ষে
রেশন লাইনে যায়নি
জল বিদ্যুৎ ওসুদ পথ্যি
দু-টাকাও হাতে পায়নি।

যুক্তির হাতে তলোয়ার ছিল
সূক্ষ্ম অথচ অদৃশ্য
রক্তপাতে করুনার কণা
মুক্তি খুঁজেছে জান্তব ।

বিপ্লব হবে মাটির গন্ধে
বিপ্লব হবে কারখানায়
কথাগুলো শুধু শুকনো কাশিতে
পথ খুঁজেছিল অসহায় ।

রক্তের দাগ কবে মুছে গেছে
বাতাসে ভাসে আনন্দ গান
রক্তহীন বিবিমিসা আসে
ভাতের থালায় বক্তৃতা ।

শেষ হবে বলে শুরু হয়েছিল
সন তারিখের দিন গোনা
সব শেষ করে আবার এসেছ
হাসপাতালে দল বেঁধে।

    --------------------

দেয়ালা উৎসব সংখ‍্যা

সমীকরণ

             --- শান্তনু পাত্র


তোমার চকচকে আপলোডে
ফেসবুকের কমেন্ট, লাইকে
অজস্র মিথ্যে প্রেমিকের ভিড়ে
আমি হারিয়ে যাই।

অথচ তুমি জানোই না ---
সাতটি মৌলিক স্বর দিয়েই
এক পৃথিবী রচতে পারি আমি।

তোমার পাঠ্যাংশ থেকে
মুছে যাক রাজাদের মিথ্যে ইতিহাস,
লেখা হোক লাঙলের ইতিকথা;
শামুক কুড়ানো মেয়ের গল্প।
তুমি দেখছো জীবনের রং সাদা
আমি সাদার ভিতরেই দেখি
বে-নী-আ-স-হ-ক-লা।

দীক্ষা দেবো আমি
শেখাবো গোপন মন্ত্র---
একের সঙ্গে এক যোগ করলে এক হয়
কখনো কখনো দুই বা তিনও .............

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পাশ - ফেল এবং ঢপের চপ


পাশ - ফেল এবং ঢপের চপ

 প্রদ্যোত আশ

ঈশান,অগ্নি, নৈঋত, বায়ু সবদিক থেকে যখন পাশ - ফে- ল - ল - ল শুনছি তখন আমার সংঘাতিক অসটা লাগছে মাইরী । কেন বলছি কথা গুলো , কারণ বাস্তবের সাথে সহবাস করে আমার ব্যপারটা ঢপের চপ মনে হয় । আচ্ছা সত্যি কি পাশ ফেল উঠেগেছে ? আমরা যে পাশফেল তুলে দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম - বলতে চাইছি আমাদের রাষ্ট্র ভেবেছিল ! উত্তরটা হল না । কারন মনস্তাত্ত্বিকদের কাছে শিশুদের ভিড়টা ফিকে হয়নি । আবার অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অধিকংশ বাচ্চা সাধারণ পড়াশোনাটা শিখে গেল এমনটাও হয়নি।
আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় প্রধান তিনটি তলা বিন্যাস আছে চিরকাল। ওপরতলা , মাঝেরতলা , নীচের তলা । এই ওপরতলার লোকেরা আইন কানুন বানান কখনো ইংরাজি তুলেদেন কখনো বা পাশফেল কিন্তু তাঁদেরি করা পরিবর্তনের আঁচ তাঁদের ঘরে লাগেনা কারণ ওরা ঘরে বাস করেনা বাস করে বাড়িতে আর ওই সব বাড়ির ছারা পড়ে ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে - স্বশাসিত স্কুলে । নীচের তলার কথা বাদ- ই  দিলাম মনচিকিৎসকদের দরজায় হাঁকের ঘন্টি মাঝের তলার লোকেরাও বাজায় না , এই তলার ছারা বড় জোর ঝুলেটুলে পড়ে সংসার নৌকার দাঁড় বাইতে গিয়ে পক্ষাঘাত হলে । মাণিক বাবুর পাশফেল গল্পে আমরা দেখেছি পাশ করেও মানুষ কী ভাবে ফেল করে যায় । বাচ্চার থেকে বই এর ওজোন বেশি দেখে নাগরিক কবি গীতি কাব্যের ঢলানি গাইতে আরম্ভ করে দিলেন । তাঁর জানার প্রয়োজন ও নেই ছা টি কোন পাঠশালে যায়........................................।

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

দেয়ালা উৎসব সংখ্যায় থাকছে





সাইকো

বিধান গোস্বামী

চুলে কবে বেঁধেছি ফুল
সে তো অনেক আগের কথা
পাঁজরে মেদ জমেছে বেশ
চাঁদ আমি আজ ছেঁড়া কাঁথা

রোজ দুপুরে মাংস রাঁধো
তেমাথাতেও গন্ধ যায়
বৌদিমনির বড়দা আমি
আমার এখন অনেক ভাই

আমিষের পিয়াজ রসুন
ছড়িয়ে থাক সারা বাড়ি
নিরামিষি স্যান্ডউইচের
পিঁপড়ে খেল তরকারি

তবু যদি ফিরবো বলি
আঁচল দিয়ে মুছবো চোখ
"হে ভগবান দয়া করে
সারিয়ে দাও ওর সাইকো রোগ ।"

সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

কালিকাপ্রসাদ স্মরণে

কোন দিন সামনা সামনি উপস্থাপনা দেখিনি - ব‍্যাক্তিগত আলাপ তো দুরকা বাত । তবু তিনি আত্মীয় - আত্মার সাথে অদ্ভুত একটা যোগাযোগ । যখন টেলিভিশনে দেখতাম আত্মমগ্ন শিল্পীর গান গাওয়া অন্তর জুড়ে দেখাদিত আনন্দ হিল্লোল । কখনো বা দেখতাম লোকসঙ্গীতের চলমান বিশ্বকোষের মত বলে চলেছেন কথা - শুনতাম আর হতবাক হয়ে যেতাম - হঠাৎ শুনলাম উনি নেই - ভেতরটা কেমন যেন করে উঠল , তার পর সেই আদি কবির মতো শোক থেকেই জন্ম নিল কবিতা -  লেখাটা শঙ্খচিল পত্রিকাতে প্রকাশিত , ফেবুতে ও দিয়েছিলাম আজ আবারো এখানে শেয়ার করছি - ওনার জন্মদিনে-


নুয়ে পড়া ফুল


প্রদ‍্যোত আশ


শিলচর জুড়ে ফুলেরা রয়েছে নুয়ে

পিয়া কী শুনেছ বাংলা ঢোলের ডাক

ঘুঙুর ছড়ানো বারাক উপত্যকা

খঞ্জনি আজ কালিকার কথা বলে

মোবাইল স্ক্রিনে আত্মভোলানো মুখ

তোমার ম্যাসেজ অদেখায় থেকে যায়

একবার পিয়া মেগা সিরিয়াল ভুলে

বিধবা চাঁদের আলোয় এসো বসি

হুতুম পেঁচাটা চক্কর কেটে চলে

চোখের জলও উটের কুঁজে বাঁধা

পলাশ শিমূল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে

গতিময় চোখ গতি কেড়েনিল পথে

ধানের শিষের একতারা তার দিয়ে

ধাড়ি ইদুঁরেরা মচ্ছব করে চলে

কীর্তনী খোল ধুলায় গড়িয়ে যায়

মাইক্রো চিপের লোড করা সব গান

সহজিয়া সুরে বাঁচার কথায় বলে

মাটির বুকে খালি পায়ে এসো বসি

বাউলিয়া সুরে জীবনের গান গায়   


( প্রকাশিত - শঙ্খচিল )

রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

রামকিঙ্কর বেইজ

" ঐ তো গো ও যে ঘোরাবে , ফেরাবে আর দেখাবে - ঐ হচ্ছে রামকিঙ্কর " কথা গুলো বলেছিলেন অবন ঠাকুর । রামকিঙ্কর - রামকিঙ্কর বেইজ । বাঁকুড়া - লালমাটির সন্তান । জন্ম ১৯০৬ সালের ২৫ শে মে । মাটির ময়ূর বিক্রি দিয়ে শুরু । কিন্তু বাঁকুড়া তার জন্মক্ষেত্র হলেও সাধন পীঠ হতে পারে নি । কারণ সেখানকার পরিবেশ শিল্প সাধনার উপযুক্ত ছিলনা কিংবা তিনি তাঁর সাধনার সাধনবেদীর স্থান নির্ণয় করতে পারেন নি । যাইহোক ১৯২৫  আগামী যৌবনের প্রাণচ্ছাস - নিজেকে পূর্ণতা দান বা - " আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ " এর মাঝখানে নিজেকে খুঁজে পেতে শিল্পী এলেন শান্তিনিকেতনে । সেখানে শিক্ষালাভ করে পূর্ণ হওয়ার জন‍্য প্রথাগত ভাবে শিল্পীকেও বসতে হল পরীক্ষায় - তবে একটু আন‍্য রকম ভাবে আচার্য  নন্দলাল বসুর কাছে । জহুরী জহর চেনে কাজেই নন্দলাল বসুর দেরী হল না আগামী দিনের শিল্পীকে চিনে নিতে । ছাড়পত্র মিলে গেল সাধন পীঠে সাধনা করার । রামকিঙ্কর খুঁজে পেলেন চির আকাঙ্খিত সাধন ক্ষেত্র  প্রাণের আরাম - মনের আনন্দ - আত্মার শান্তি ।

আপন খেয়ালে আত্মভোলা শিল্পী শান্তিনিকেতনের শান্ত পরিবেশে ইউক্যালিপটাসের ঘন সারিবদ্ধতায় সিমেন্ট বালির তাল ছুঁড়ে গড়ে তুললেন এক লম্বা ছিপছিপে মেয়ের পূর্ণাবয়ব যা আমরা 'সুজাতা' বলে জানি । এই  ভাস্কর্য দেখেই কবিগুরু মুগ্ধ হয়ে রামকিঙ্কর কে বলেছিলেন - " ভাস্কর তুমি " । গুরুদেবই প্রথম তার নামের সাথে ভাস্কর বিশেষণটি জুড়েদিলেন । আর দিলেন পারমিশন শান্তিনিকতনের মুক্তাঙ্গন ভাস্কর্য দিয়ে সাজিয়ে তোলার । শিল্পীকে আর দেখে কে " সৃষ্টি সুখের উল্লাসে " নিয়ে গড়তে লাগলেন - সাঁওতাল পরিবার , কলের বাঁশি , ভগবান বুদ্ধ , দীপস্তম্ভ প্রভৃতি বিখ্যাত ভাস্কর্য । 

তারভাস্কর্য গুলো লক্ষ‍্য করলে দেখা যাবে প্রতিটি ভাস্কর্যের এর মধ্যে কর্মময়তার প্রকাশ । সর্বত্রই গতিশীলতার প্রকাশ কোথাও স্থিতিশীলতার লেশমাত্র নেয় । তাছাড়া প্রতিটি ভাস্কর্য , প্রতিটি চিত্র বাস্তবমুখী মাটির সোঁদা গন্ধ তাতে চাইলেই পাওয়া যায় , কান পাতলে শোনা যায় জীবনের স্পন্দন । তিনি স্থবিরতায় বিশ্বাস করতেন না । তাই তাঁর প্রায় প্রতিটি  মুভিং সাঁওতাল পরিবার থেকে সুজাতা পর্যন্ত । তাঁর চিত্রকলা তাঁর  ভাস্কর্যে বার বার ফিরে এসেছে মাটির কাছের মানুষ । তাঁর সৃষ্টিতে সাঁওতাল শ্রেণীর প্রাচুর্য দেখে কেউ মনে করেছেন তিনি সাঁওতাল । অবশ‍্য তিনি জাতিতে নাপিত ছিলেন বলেও তাঁকে অনেক লাঞ্ছনা সহ‍্য করতে হয়েছে । ব‍্যক্তি জীবনে ' নাপিতের ব‍্যাটা ' বলে জীবনে কাঙ্খিত রমণীর সহচার্য পাননি , এবং এর থেকেই বোধ হয় তিনি সামাজিক রীতি , বিবাহ সম্পর্কে বিতৃষ্ণা বোধ করেন । তাই তাঁর শেষ জীবনের সঙ্গিনী রাধারাণী দেবীকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন সর্বক্ষেত্রে কিন্তু বিবাহসূত্রে বাঁধেননি । হয়ত ভালোই হয়েছে । চিরকালের মুক্ত বাউল মুক্ত - ই  রয়ে গেলেন ।



গ্রন্থ ঋণ :-  রূপতাপস রামকিঙ্কর - ডঃ নমিতা মণ্ডল , 
ঋণ :- আন্তর্জাল
ব‍্যবহৃত চিত্র : - তাপস অধিকারী

শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

কবি কথা


স্বপ্নে যাঁর জন্মনিত বাঁকুড়ার ঘোড়া


এখন যাকে নিয়ে লিখতে বসলাম তিনি বলতেন, "কবিতা লেখাটা মস্তিস্কের ব‍্যায়াম । কবিতা আবিষ্কারকের চোখে যথার্থ কবিতা সমাদৃত হবেই ।" তিনি আর কেউ নন আমার শচী জ‍্যেঠু , 'লগ্ন উষার' শচীদা । " রবীন্দ্র মেঘের পরে জীবনান্দ মেঘ "- এর পর তিনি বৃষ্টি নিয়ে এলেন - যে ' বৃষ্টির নাম অন্নপূর্না ' । কবি সচ্চিদানন্দ হালদার - জন্ম ১৯৩৬ সালের ২রা অক্টোবর বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীতে । পেশায় শিক্ষক আর আগাগোড়ায় কবি । যিনি উচ্চারণ করতে পারেন " কবি কারও দাস নয় । কবির মাথা থাকবে কুতুব মিনারের দু'ইঞ্চি উপরে । যশ কবির বিভা বা উজ্জ্বল‍্য যা স্বতস্ফুর্ত ভাবে অর্জিত হয় । অর্জন করতে হয় না। যশাকাঙ্খার সঙ্গে প্রকৃত কবির কোন সম্পর্ক নেই । আরে পুরস্কার - একটা কেন পাঁচটা নোবেল দিলেও কবির যথার্থ মূল‍্যায়ণ করা যায় না । সব কথার শেষ কথা বলবেন কবি স্বয়ং । " ( সাগ্নিক , ২০০১) । প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়' মাসিক বসুমতি ' পত্রিকায় । দীর্ঘ ২৮ বছর তিনি ছিলেন লগ্ন উষার কর্ণধার । প্রকৃত পক্ষে গড়ে তুলেছিলেন সাহিত্যের আঁতুড়ঘর - সেই ধারা আজো বহমান। 

" র‍্যালীর যুবক ! ব‍্যক্তিত্ব সুরক্ষা কর - সত্তর অবধি, / তারপর জ্বালানী নিঃশেষ, ঝর্নাশূন‍্য জীর্ন খেরো খাতা ! / তাই তোমার মতো না ! / ঐ গিরি সন্ন্যাসীর মতো প্রতি সূর্যোদয়ে - / যুবা হতে চাই ।" কিন্তু উনি চলেগেলেন ১৭/০২/২০০৮ । আর দিয়ে গেলেন কবিতার পাঠ - সাহিত্যের পাঠ । ১৯৯৩ সালে পেয়েছিলেন ভারত সরকারের পরিবেশ বিষয়ক কবিতার জন‍্যে , পেয়েছেন অমৃতলোক সম্মান , অরুণ মিত্র পুরস্কার । 

তিনি চলে গেলেও রয়েগেলেন কবিতায় ।তাঁর  একটা কবিতা দিয়ে আজকের লেখা শেষ করছি 

সভ‍্য দিন

একটা দিনও সভ‍্য দিন যাপন করিনি

অথচ তোমরা নেচে গেয়ে এই সভ্যতার গর্ব কর

সংবাদ মাধ‍্যম দেখলে কি মনে হয় -

গতকাল খুব সভ‍্য দিন গ‍্যাছে !


পৃথিবীর পরিচালকগণ - দেখি তোমরা কত বড় রূপকার !

রাষ্ট্র পরিচালকগণ - দেখি তোমরা কত বড় রূপকার !

এবং মন্ত্রমুগ্ধ নাগরিকগণ


কমপক্ষে একবার একটা সভ‍্য দিন দাও ।



 আরো জানতে যোগাযোগ করতে পারেন :- 
 গৌর কারক (সম্পাদক - লগ্ন উষা ) 
মো :- ৯৪৭৪৮২৫২৫৪

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৭

ভ্রমন


পা বাড়ালেই শান্তি


আপনার মনের শান্তির ঠিকানা হতেই পারে আমার গ্রাম তুলিন । দু - তিন দিনের ছুটি  নিয়ে আশ্রয় নেওয়া এই প্রকৃতির কোলে । এই গ্রাম তিনদিকে পাহাড় আর এক দিক সূবর্ণরেখা নদী দিয়ে ঘেরা - আর নদী পেরোলেই ঝাড়খণ্ড । এখানে সহজেই থাকা খাওয়ার সুবন্দোবস্ত করা যায় । আবার এখান থেকে ঘুরে আসা যায় অযোধ্যা পাহাড় , বামনি ঝর্ণা , মুরগুমা জলাধার , মুখোস গ্রাম চড়িদা , রাজরপ্পা মন্দির , হুণ্ড্রু - জোনা - সীতা - দশম জলপ্রপাত । পাহাড় কোলের সূর্যাস্ত আপনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না ।


যাতায়াত ব্যাবস্থা :-  হাওড়া - রাঁচি যে কোনো ট্রেনে মুরি জংশন , সেখান থেকে অটোতে মিনিট পনেরো , এছাড়া তুলিন কোলকাতা সরাসরি বাসের যোগাযোগ ও আছে ।

দরকার হলে যোগাযোগ করতে পারেন  pradyotkumar.ash@gmail.com   অথবা  FB inbox    এ

কবিতা


মান্দাস

মৃত্যুর ইশারা দেখি , দেখি একমুখ
সকালের আকাশে পায়রা উড়ে যায়
ধানখেতে যে মেয়েটি চরছে - বেহুলার বোন
স্বপ্নে খেলা করে সোনালি কোজাগরি রাত

চিতাতে যাবার অবস্থা হলে
ফুলের গন্ধ আসে
পোড়াকাঠ - ভাসা - জলে মসৃণ দুটি পা
সৃষ্টির পরমায়ু নিয়ে তোমাকে দেখে যাব
লখিন্দর এবার ভাসাবে মান্দাস


কবিতা

জোনা ঝর্ণা ঘুরে এসে এই কথা গুলোই মনে হয়েছিল ।

বেশিবার পড়া