পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

পে কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেও ধোঁয়াসা থেকে গেল

বহু সরকারি কর্মচারী তাকিয়ে ছিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নেতাজী ইন্ডোরের সভার দিকে । ভাবনা একটাই ২০১৬ সালে বেতন কমিশন বসেছিল তা কবে কার্যকর হবে ?একটাই প্রশ্ন রাজ্য সরকারী কর্মচারী মহলে । অবশেষে আজকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা বিশ্লেষণ করলে যা পাওয়া যায় তাহল
ক. পেনশন দেশে সরকারি ব্যাবস্থায় একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে চালু থাকবে।
খ. ৮ বছরে বকেয়া ৯৩ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে।
গ. পে কমিশন এর প্রথম অংশ জমা হয়েছে, ষষ্ঠ পে কমিশন এ সম্ভবত ব্যান্ড পে ও গ্রেড পে না থাকার সুপারিশ।
ঘ.  ষষ্ঠ পে কমিশন, কমিশনের রিপোর্ট মেনে নিয়েই হবে। ডিএ+ পে কমিশন মার্জার হয়ে ১২৫ থেকে ২৫৭ তে দাঁড়াবে।
ঙ. ২.৫৭ ফ্যাক্টর কাজ করবে ব্যান্ড পে ও গ্রেড পের উপর, ১৬৮০০ স্যালারি পেলে ২০৯০০ +- হবে।
চ. গ্র্যাচুইটির পরিমান বাড়বে।
ছ . পে কমিশন ২৩ সেপ্টেম্বর ক্যাবিনেট মিটিং এর পর প্রসিডিওর মেইনটেইন করে ১ লা জানুয়ারি ২০২০ থেকে চালু করার চেষ্টা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেও ধোঁয়াসা থেকে যাচ্ছে ফলত সময়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সরকারি কর্মচারীদের ।

ছবি - ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

রাজ্যের প্রতিটি বিদ্যালয়ে পালিত হবে বিদ্যাসাগর সপ্তাহ

ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০০তম জন্মবার্ষিকি উপলক্ষ্যে রাজ্যের প্রতিটি বিদ্যালয়ে আগামী ২০শে সেপ্টেম্বর থেকে ২৬শে সেপ্টেমম্বর  পালিত হবে বিদ্যাসাগর সপ্তাহ । এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করেছে বিদ্যালয় শিক্ষাদপ্তর । সারা সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ের পঠন - পাঠনের সাথে সাথে আয়োজন করতে হবে বিভিন্ন সংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও অনুষ্ঠাণের । যার মধ্যে থাকবে প্রবন্ধ , অঙ্কন , প্রশ্নত্তোর ইত্যাদির প্রতিযোগীতা , চিত্র প্রদর্শনী , সেমিনার এবং প্রভাত ফেরী । এই উপলক্ষ্যে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বিদ্যাসাগর প্রণীত " বর্ণপরিচয় " প্রথম এবং দ্বিতীয় ভাগ । এই সপ্তাহ পালনের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিকে দু হাজার এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলিকে তিন হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেবে রাজ্যের বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর ।
ছবি :- গুগেল থেকে সংগৃহীত 

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আবারো বড় সড় আন্দোলনের পথে প্রাথমিক শিক্ষকরা


টানা ১৪ দিনের আমরণ অনশনের পর প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবী আংশিক মান্যতা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ছিল রাজ্য সরকার গত ২৬/০৭/১৯ । বর্ধিত বেতন কাঠামো লাঘু হওয়ার কথা ছিল ০১/০৮/১৯ থেকে কিন্তু সময় গড়িয়ে চলেছে এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল তা থেকেই গেছে ফলত অধরা থেকে গেছে নতুন বেতনক্রম । মাঝে মধ্যে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টার সংক্রান্ত খবর উঠে এলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন সংবাদিক সম্মেলন করে এই ধোঁয়াশা কাটানো হয়নি বরং দিনে দিনে ধোঁয়াশা বাড়ছে । এমত অবস্থায় আবার পথে নেমে বৃহত্তর আন্দোলনের কথা ভাবছে  প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠণ UUPPTWA । রাজ্য সভাপতি সন্দিপ ঘোষ UUPPTWA র ফেসবুক গ্রুপে লিখেছেন " 26th july পশ্চিমবঙ্গ সরকার  প্রাথমিক শিক্ষকদের  বেতন বৃদ্ধির  বিষয়ে 1st August থেকে কার্যকরী করার নির্দেশ দিয়েছেন কিন্তু  কি পদ্ধতিতে বেতন বৃদ্ধি করবেন তার প্রয়োজনীয় নির্দেশ অর্থমন্ত্রক থেকে না আসার ফলে এখনো কার্যকরী হয় নি। যদিও আমরা জানি যতদিনই দেরী করুক, তার arrear দিতে হবে 1 st August  থেকে।
কিন্তু কেন এই অস্বাভাবিক দেরী? সরকার দেখেছেন সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষক একজোট হয়ে uuptwa র ছাতার তলায় সমবেত হয়েছেন।সুতরাং আগে এই unity ভেঙে দাও। যত টাকা দিতে দেরী হবে তত শিক্ষকদের ধৈর্য্য কমবে এবং নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ পাবে। এই সময় বাজারে কিছু দালাল প্রাথমিক শিক্ষক নেমে পড়বে এবং বিভিন্ন শিক্ষকদের ক্ষেপিয়ে তুলবে। এর প্রমান আমরা দেখছি, fitment factor বেড়োবার আগেই  2014, 2017 সালের কিছু শিক্ষক " আমরা বন্চিত " বলে আগেই বাজার গরম করা আরম্ভ করলেন।
uuptwa কে এত সহজে হার মানানো যাবে না। সরকারের রক্ত চক্ষু, দমন পীড়ন নীতি, জেলা বদলী উপেক্ষা করে শিক্ষকদের একজোট করতে পেরেছি। পাঁচজন মিলে লড়াই আরম্ভ করে আজ দেড়লাখে পৌছেছি।
আমরা শুধু মাত্র সরকারের বিরোধীতা করবার জন্য সংগঠন করিনি। আমরা আমাদের পেশার প্রতি দায়বদ্ধ। এই কারনেই  আমরা অনশন চলাকালীন একটা স্কুল ও বন্ধ রাখিনি।
আমরা আশা করি সরকার আগামী 10 দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে  বেতনবৃদ্ধির বিষয়টি সুনিশ্চিত করবেন। না হলে কিন্তু দূর্গাপূজার আগে আবার প্রাথমিক শিক্ষকেরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন।"
এই পোষ্ট দেখার সাথে সাথে শিক্ষকরা মানষিকভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন আন্দোলনে নামার ।

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিদ্যালয় গুলির ছুটিতে কোপ

প্রবল সমালোচনার জেরে এ বছরই বাতিল হয়েছিল গ্রীষ্মাবকাশের টানা ছুটি । আবারও কোপ পড়ল বিদ্যালয় গুলির ছুটির তালিকা তে । এবছর শুরু হচ্ছে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মের সার্ধ শতবর্ষ পালন চলবে বছর ভর । এর ফলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হবে দিন টি এর জেরে ছুটি পাওয়া যাবে না ২রা অক্টোবর । অনেক সময় পুজোর ছুটি পঞ্চমীতে শুরু হয়ে যায় , এবছর তেমনটা হলে চতুর্থীর দিন থেকে ছুটি পাওয়া যেত কারণ পঞ্চমী ৩রা অক্টোবর । জনৈক শিক্ষকের কথায় " জাতীয় মর্যাদা পূর্ণ দিন গুলি যেমন স্বাধীনতা দিবস , প্রজাতন্ত্র দিবস ইত্যাদি ছুটির তালিকা থেকে বাদ রাখলে ভালো হয় তাতে সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকারা স্বতস্ফুর্ত ভাবেই খুশি হবে আর গোনা ৬৫ দিন থেকেও বাদ যাবে না " ।


ছবি :- প্রতীকী গুগেল থেকে সংগৃহীত

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মিলছে যখন বিশেষ ছাড় ------ প্রদ্যোত আশ



এই কার্ড থাকলে বাড়তি ১০ %ছাড় । পুজো এলেই শুরু হয় বাজার ধরার প্রতিযোগীতা । দোকানে দোকানে শুরু হয়ে যায় বিশেষ ছাড় । এরকমই ছাড় পেতে পারেন যদি আপনার বঙ্গীয় গ্রামীন বিকাশ ব্যাঙ্কের রুব পে কার্ড থাকে , বিগ বাজারে কেনা কাটা করালে বাড়তি ১০% ছাড় পাবেন ক্রেতারা । ২০০০ টাকার উপর কেনা কাটা করলে আপনি এই ছাড় পাবেন অফার চলবে ০৮/১০/১৯ পর্যন্ত এমনটাই sms করছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ।
সারা বছরের নানান সময় বিভিন্ন অফার দিয়ে থাকে বিগ বাজার ইত্যাদি শপিং মল গুলি । বর্তমানে প্রচুর সুবিধা পাওয়া যায় অন লাইনে কেনা কাটাতে আপাত দৃষ্টিতে আমরা গ্রাহকরাই লাভবান হয় । কিন্তু এর ফলে সংকটের মুখে পড়ছে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা বলে অনেকের অভিমত । কৌশিক গাঙ্গুলীর সিনেমা " শংকর মুদি " র কথা মনে পড়ে যায় এই বহুজাতিক কম্পানিগুলির থাবা কি ভাবে শংকর মুদিদের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলছে তাই এই সিনেমার মূল বিষয় । আবার বাস্তবে আমরা দেখি যে সমস্ত ফাঁকা জায়গা গুলোতে শপিং মল গজিয়ে উঠছে সেখানে আবার নতুন করে বাজার তৈরি করছে ক্ষুদ্র পুঁজি - শপিং মল কে কেন্দ্র করে খোলা হচ্ছে ফাষ্ট ফুডের দোকান , মলের নিজস্ব রেস্তরা থাকলেও ক্রেতারা ভিড় বাড়াচ্ছে এই সব ফুটের দোকান , ঠেলা গাড়িতে । আবার এটাও ঠিক অন লাইনে মোবাইল বিক্রির  ফলে পাড়ার মোবাইল দোকানটা হয়ে গেছে মোবাইল রিপেয়ারিং এর দোকানে । আসলে সময় পরিবর্তনশীল তাই আমাদের কেও অভিযোজিত হতে হবে ........... কিন্তু প্রশ্ন কতটা তালমেলাতে পারবে শংকর মুদিরা ।
ছবি :- প্রতীকী গুগেল থেকে সংগৃহীত

সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

করম পরব ---


করম পরব ( উত্সব ) আদিবাসী জাতির একটি কৃষি ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী উত্সব । আদিবাসী যেমন - ওঁরাও, সাঁওতাল, মুন্ডা, পাহান, কুড়মি, ভূমিজ সহ প্রায় ৩৮ টি জাতির মানুষ করম পরব পালন করে ।
প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্ল একাদশী তিথিতে করম পরব উৎসব হয়ে থাকে। এর সাত / পাঁচ / তিন দিন আগে মেয়েরা ভোরবেলায় শালের দাঁতন কাঠি ভেঙে নদী বা পুকুরে স্নান করে বাঁশ দিয়ে বোনা ছোট টুপা ও ডালায় বালি দিয়ে ভর্তি করেন। তারপর গ্রামের প্রান্তে একস্থানে ডালাগুলিকে রেখে জাওয়া গান গাইতে গাইতে তিন পাক ঘোরে। এরপর তাতে তেল ও হলুদ দিয়ে মটর, মুগ, বুট, জুনার ও কুত্থির বীজ মাখানো হয়। অবিবাহিত মেয়েরা স্নান করে ভিজে কাপড়ে ছোট শাল পাতার থালায় বীজগুলিকে বুনে দেন ও তাতে সিঁদুর ও কাজলের তিনটি দাগ টানা হয়, যাকে জাওয়া ডালি বলা হয়। এরপর ডালাতে ও টুপাতে বীজ বোনা হয়। এরপর প্রত্যেকের জাওয়া চিহ্নিত করার জন্য কাশকাঠি পুঁতে দেওয়া হয়। একে জাওয়া পাতা বলা হয়। যে সমস্ত কুমারী মেয়েরা এই কাজ করেন, তাঁদের জাওয়ার মা বলা হয়। ডালার জাওয়াগুলিকে নিয়ে তাঁরা গ্রামে ফিরে আসেন।
করম পুজোর দিন গ্রামের বয়স্কদের একটি নির্দিষ্ট করা স্থানে দুইটি করম ডাল এনে পুঁতে রাখা হয়, যা সন্ধ্যার পরে করম ঠাকুর এবং ধরম ঠাকুর হিসেবে পূজিত হন। কুমারী মেয়েরা সারাদিন উপোষ করে সন্ধ্যার পরে থালায় ফুল, ফল সহকারে নৈবেদ্য সাজিয়ে এই স্থানে গিয়ে পূজা করেন। করম ডালে ভেঁট (আলিঙ্গন) নেন, যা বৃক্ষের প্রতি ভালবাসার প্রতীক । এরপর করম ডাল ও জাওয়া ডালি কে ঘিরে নাচ গান চলে। পরদিন সকালে মেয়েরা জাওয়া থেকে অঙ্কুরিত বীজগুলিকে উপড়ে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়ে বাড়িতে বিভিন্ন স্থানে সেগুলিকে ছড়িয়ে দেন। এরপর করম ডালটিকে জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয় জলাশয়ে ।
জোহার করম রাজা. ..

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

অবশেষে হয়ত বৃদ্ধি হতে পারে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন .........

অবশেষে হয়ত অংশিক দাবী মিটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের । গত শুক্রবার ( ০৬/০৯/১৯ ) একটি বহুল প্রচারিত সংবাদ মাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে শুরু  হয় জল্পনা চায়ের দোকান , পাঠার ঠেক সর্বত্ত  - প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনবৃদ্ধি নিয়ে । জনৈক প্রাথমিক শিক্ষক এর মতে " বাজারি সংবাদপত্র  গুলি বার বার জন মানসে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে । বেতন বৃদ্ধির খবর প্রশ্ন উত্তর করতে করতে নাজেহাল হচ্ছি আমরা । সংবাদ পত্র গুলি প্রথমে আট হাজার দশ হাজার করে বেতন বাড়িয়ে দিল - এখন আবার লিখছে আরো বেতন বাড়ছে আমাদের - এই ধরণের হলুদ সংবাদিকতা কে আমরা তীব্র ধিক্কার জানাই । ওদের পরিবেশন করা কোন খবরে আমাদের বিশ্বাস নেই । যতক্ষণ না হাতে পাচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বাস করা মানে আন্দোলনের মানষিকতা কে নষ্ট করা । প্রয়োজনে আমরা আবার রাস্তায় নামবো । "
প্রসঙ্গত গত ২৬/০৭/১৯  UUPPTWA র নেতৃত্বে ১৪ দিনের অনশন আন্দোলনের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যেখানে প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবীকে আংশিক ভাবে মেনে গ্রেড পে ৩৬০০ এবং PB3 স্কেলের কথা বলা হয় । যদিও দাবী ছিল গ্রেড পে ৪২০০ এবং PB4 স্কেল যা সর্ব ভারতীয় বেতনক্রম , অধিকাংশ রাজ্য তাই দিয়ে থাকে ।
শনিবার  রাত্রে UUPPTWA এর রাজ্য সভাপতি সন্দিপ ঘোষ ফেসবুকে পোষ্ট করেন -  " সব প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা প্রহর গুনছেন কবে অর্থ মন্ত্রক থেকে  বেতন বৃদ্ধির নোটিশ আসবে। অনেকেই ফোন করছেন জানতে। কিন্তু আমরা যে সংগঠনটি করি uuptwa, সেখানে আমরা যতক্ষণ না সরকারি notice পাব ততদিন কোনরকম বাজারি পত্রিকার মত খবর তৈরি করব না অথবা খবর ছড়াব না।"

শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

শিক্ষক দিবসে নজির সৃষ্টি করলেন ঝালদার শিক্ষক সমাজ


কোথাও প্রয়াত পার্শ্ব শিক্ষকের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া, কোথাও আবার রক্তদান উৎসব । এভাবেই পালিত হল শিক্ষক - দিবস পুরুলিয়া জেলার ঝালদা মহকুমা শহরে । এই দিন ঝালদা সত্যভামা বিদ্যাপীঠের সভাকক্ষে প্রতিবছরের মতো প্রাক্তন শিক্ষকদের সংবর্ধনার আয়োজন করেন ঝালদা ১নং চক্রের প্রাথমিক শিক্ষক - শিক্ষিকারা । এই অনুষ্ঠাণে ওই চক্রের অকাল প্রয়াত পার্শ্ব শিক্ষক মনোজ পরামানিকের পরিবারকে প্রায় ১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয় । চক্রের এক শিক্ষকের কথায় " মনোজ বাবু যেহেতু পার্শ্ব শিক্ষক ছিলেন , তাই তাঁর পরিবার কোন ভাবে সরকারি সাহায্য পাবে না , আমরা আমাদের সহকর্মীর পরিবারের ক্ষতিপূরণ করতে পারব না তবু কিছু একটা করার উদ্দেশ্যে নিজেদের মধ্যে চাঁদা করে এই অর্থ ওর পরিবারের হাতে তুলে দিলাম । " এই অনুষ্ঠাণে উপস্থিত ছিলেন সমগ্র শিক্ষা মিশনের জেলা প্রকল্প আধিকারিক  বিকাশ মজুমদার , সেকেণ্ডারি এ আই বীরবাহাদুর রানা , ঝালদা ব্লক সাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ দেবাশীষ মণ্ডল , ঝালদা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্রীমতি বীণা মাহাত , ঝালদা ১ নং চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শুভঙ্কর নন্দ ।
প্রয়াত পার্শ্ব শিক্ষক মনোজ পরামানিকের মেয়েদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে আর্থিক সাহায্য

ওই দিন একই ক্যাম্পাসে রক্তদান উৎসবের আয়োজন করা হয় ঝালদা সত্যভামা বিদ্যাপীঠের জাতীয় সেবা প্রকল্প থেকে । এই শিবির এ বছর দু বছরে পদার্পন করল । প্রাক্তন ছাত্র , বর্তমান শিক্ষকদের পাশাপাশি রক্তদান করেন ঝালদা ১নং চক্রের প্রাথমিক শিক্ষকরা , ঝালদার সাধারণ মানুষ এবং অনুষ্ঠাণে আশা অতিথি অভ্যাগতরা । মোট ৫৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতা রক্তদান করেন । রক্তসংগ্রাহক ছিলেন পুরুলিয়া দেবেন মাহাত সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীরা । এই শিবিরের আগে পথ সভা করা হয় এক সপ্তাহ ধরে ।
পথ সভা চলছে
রক্তদান করছেন সমগ্র শিক্ষা মিশনের জেলা প্রকল্প আধিকারিক বিকাশ মজুমদার

বেশিবার পড়া