পাশ - ফেল এবং ঢপের চপ
প্রদ্যোত আশ
ঈশান,অগ্নি, নৈঋত, বায়ু সবদিক থেকে যখন পাশ - ফে- ল - ল - ল শুনছি তখন আমার সংঘাতিক অসটা লাগছে মাইরী । কেন বলছি কথা গুলো , কারণ বাস্তবের সাথে সহবাস করে আমার ব্যপারটা ঢপের চপ মনে হয় । আচ্ছা সত্যি কি পাশ ফেল উঠেগেছে ? আমরা যে পাশফেল তুলে দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম - বলতে চাইছি আমাদের রাষ্ট্র ভেবেছিল ! উত্তরটা হল না । কারন মনস্তাত্ত্বিকদের কাছে শিশুদের ভিড়টা ফিকে হয়নি । আবার অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অধিকংশ বাচ্চা সাধারণ পড়াশোনাটা শিখে গেল এমনটাও হয়নি।
আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় প্রধান তিনটি তলা বিন্যাস আছে চিরকাল। ওপরতলা , মাঝেরতলা , নীচের তলা । এই ওপরতলার লোকেরা আইন কানুন বানান কখনো ইংরাজি তুলেদেন কখনো বা পাশফেল কিন্তু তাঁদেরি করা পরিবর্তনের আঁচ তাঁদের ঘরে লাগেনা কারণ ওরা ঘরে বাস করেনা বাস করে বাড়িতে আর ওই সব বাড়ির ছারা পড়ে ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে - স্বশাসিত স্কুলে । নীচের তলার কথা বাদ- ই দিলাম মনচিকিৎসকদের দরজায় হাঁকের ঘন্টি মাঝের তলার লোকেরাও বাজায় না , এই তলার ছারা বড় জোর ঝুলেটুলে পড়ে সংসার নৌকার দাঁড় বাইতে গিয়ে পক্ষাঘাত হলে । মাণিক বাবুর পাশফেল গল্পে আমরা দেখেছি পাশ করেও মানুষ কী ভাবে ফেল করে যায় । বাচ্চার থেকে বই এর ওজোন বেশি দেখে নাগরিক কবি গীতি কাব্যের ঢলানি গাইতে আরম্ভ করে দিলেন । তাঁর জানার প্রয়োজন ও নেই ছা টি কোন পাঠশালে যায়........................................।