কোন দিন সামনা সামনি উপস্থাপনা দেখিনি - ব্যাক্তিগত আলাপ তো দুরকা বাত । তবু তিনি আত্মীয় - আত্মার সাথে অদ্ভুত একটা যোগাযোগ । যখন টেলিভিশনে দেখতাম আত্মমগ্ন শিল্পীর গান গাওয়া অন্তর জুড়ে দেখাদিত আনন্দ হিল্লোল । কখনো বা দেখতাম লোকসঙ্গীতের চলমান বিশ্বকোষের মত বলে চলেছেন কথা - শুনতাম আর হতবাক হয়ে যেতাম - হঠাৎ শুনলাম উনি নেই - ভেতরটা কেমন যেন করে উঠল , তার পর সেই আদি কবির মতো শোক থেকেই জন্ম নিল কবিতা - লেখাটা শঙ্খচিল পত্রিকাতে প্রকাশিত , ফেবুতে ও দিয়েছিলাম আজ আবারো এখানে শেয়ার করছি - ওনার জন্মদিনে-
নুয়ে পড়া ফুল
প্রদ্যোত আশ
শিলচর জুড়ে ফুলেরা রয়েছে নুয়ে
পিয়া কী শুনেছ বাংলা ঢোলের ডাক
ঘুঙুর ছড়ানো বারাক উপত্যকা
খঞ্জনি আজ কালিকার কথা বলে
মোবাইল স্ক্রিনে আত্মভোলানো মুখ
তোমার ম্যাসেজ অদেখায় থেকে যায়
একবার পিয়া মেগা সিরিয়াল ভুলে
বিধবা চাঁদের আলোয় এসো বসি
হুতুম পেঁচাটা চক্কর কেটে চলে
চোখের জলও উটের কুঁজে বাঁধা
পলাশ শিমূল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে
গতিময় চোখ গতি কেড়েনিল পথে
ধানের শিষের একতারা তার দিয়ে
ধাড়ি ইদুঁরেরা মচ্ছব করে চলে
কীর্তনী খোল ধুলায় গড়িয়ে যায়
মাইক্রো চিপের লোড করা সব গান
সহজিয়া সুরে বাঁচার কথায় বলে
মাটির বুকে খালি পায়ে এসো বসি
বাউলিয়া সুরে জীবনের গান গায়
( প্রকাশিত - শঙ্খচিল )

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন